রবিউল আউয়াল মাসের ৫ আমল
এই মাসকে কীভাবে ইবাদত, জিকির ও মানবকল্যাণমূলক আমলের মাধ্যমে বরকতময় ও সার্থক করে তোলা যায়, তারই ৫টি সহজ দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।
এই মাসকে কীভাবে ইবাদত, জিকির ও মানবকল্যাণমূলক আমলের মাধ্যমে বরকতময় ও সার্থক করে তোলা যায়, তারই ৫টি সহজ দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।
হজের সফরের প্রতিটি মোড়ে, ইহরাম থেকে শুরু করে আরাফাতের ময়দান পর্যন্ত, রাসুল (সা.) আমাদের নির্দিষ্ট কিছু দোয়া ও জিকির শিখিয়েছেন। হাদিসসমর্থিত দোয়াগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।
হাদিসের মূল শব্দ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর নাম-গুণাবলি, ইবাদতের দোয়া-জিকির, জাওয়ামিউল কালিমসহ পাঁচটি বিশেষ অবস্থায় হাদিস অবশ্যই হুবহু বর্ণনা করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে একটি শব্দের পরিবর্তনেই ভুল অর্থ প্রকাশ পেতে পারে।
সাহ্রি থেকে ইফতার পর্যন্ত পুরো সময় কোরআন তেলাওয়াত, আল্লাহর জিকির ও দোয়ায় রত থাকা রোজার পরিপূর্ণতার অন্তর্ভুক্ত। হাদিসে রোজার বিভিন্ন আদব আছে, যা রোজাদারের মর্যাদা বাড়ায়।
নবীজি (সা.) ঘুমের একান্ত প্রয়োজন হলে মাটি বা চাটাইয়ে সাধারণভাবে বিশ্রাম নিতেন। তাঁর সুন্নতসম্মত ঘুমের পদ্ধতিতে অজু, তেলাওয়াত, দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে ইবাদতের ছোঁয়া ছিল। এই অভ্যাস শারীরিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য আদর্শ।
রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।
মধ্যরাতের নির্জনতায় জিকিররত জায়নামাজে ওইখানে ঠিক খুশবু ছড়ায় চোখ থেকে আর যায় না মা যে।