গ্যাসের অপেক্ষায় কেটে গেছে পুরো সকাল থেকে দুপুর
চট্টগ্রামে গ্যাসের চাপ কম থাকার সমস্যা নতুন নয়। তবে গত মঙ্গলবার মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
চট্টগ্রামে গ্যাসের চাপ কম থাকার সমস্যা নতুন নয়। তবে গত মঙ্গলবার মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর থাকায় হরমুজ প্রণালির কার্যক্রম সীমিত রয়েছে। সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় তেল-গ্যাস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে—বিশেষ করে এলএনজি ও অন্যান্য খাতে ভারসাম্য ফিরতে। বড় শক্তি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সমন্বয় ছাড়া পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র বলছে, দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। ৩০০ কোটি ঘনফুট হলে মোটামুটি সব খাতে সরবরাহ ধরে রাখা যায়—তবে স্বাভাবিক সময়ে রেশনিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।
জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় চট্টগ্রামে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা। এখন দিনে গড়ে আড়াই থেকে তিন শ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুতের পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো কারখানার লোড বৃদ্ধি এবং নতুন শিল্পকারখানায় গ্যাস সংযোগ না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত।