
সংবাদ অনুসন্ধান করুন
69 টি ফলাফল পাওয়া গেছে: "গল্প-অন্য আলো"


নিভৃতে
‘কী যে ভীতুর ডিম না তুমি! তোমাকে নিয়ে চলাফেরা করাই মুশকিল।’ অভিমানে বলতে ইচ্ছা করে, তাহলে না চললেই পারো। কিন্তু নিজেকে সামলে নিই, আমি তার সঙ্গ হারাতে চাই না।

পা’র অসুখে হারিয়ে যাচ্ছে রোকনের জীবন
ফার্মগেটে ব্যাংক কর্মী রোকনের পায়ের রোগ জীবনকে জর্জরিত করছে। অদ্ভুত গন্ধের অনুভূতি, ঘুমহীন রাত, ফ্যান্টম লিম্ব সিনড্রোমের ছায়া। রাহেলার স্মৃতি নিয়ে বান্দরবানের যাত্রায় শেষ ধাপে পা হারাল রোকন।

পৃথিবীর সব ঘুঘু ডাকিতেছে হিজলের বনে
সে অনেক অনেক দিন আগের কথা। বলেই তিনি সামনে বহমান পদ্মার বিস্তৃত জলরাশির দিকে তাকালেন, নদীর ওপারের কালোগ্রামের ভেতরে ঢুকে যেন তিনি ছোটবেলার আম কুড়োনোর দিনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে পড়লেন। বলে উঠলেন—তখন ছোট ছোট গ্রাম আর কিছুটা দূরে দূরে বিস্তীর্ণ জঙ্গল, সেই জঙ্গলে নানা কিসিমের পশুপাখির বাস ছিল।

কালো নদীর মতো সড়ক
মোতালিবের দিশাহারা কানে এসব কথার কিছুই পৌঁছায় না। তার হঠাৎ মনে হয়, হাত–পা অবশ হয়ে তার চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসছে। কালো সড়কটা এইবার বড় হতে হতে তার বুকের ওপর দিয়ে রক্ত, মাংস, হাড়, পাঁজর গুঁড়ো করে সামনের দিকে চলে যাচ্ছে।

অচল ঘড়ির কাঁটা
একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধের বিজিত যোদ্ধা আমার বাবা। একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত ভাস্কর্য আমার মা। একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধ আমার জন্মদাতা। যুদ্ধে নপুংসক হওয়া ওই অন্ধকারবন্দী মানুষটা এই যুদ্ধশিশুর বাবা।

তুমি, আমি ও সুগন্ধি
এখনো স্পষ্ট মনে আছে সেদিন মঙ্গলবার ছিল। কেন আমি বাসায় ছিলাম না তা–ও মনে আছে। কী করে যেন ওইবার পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবারেই পড়েছিল।

টোকিওকে বাঁচায় বিশাল এক ব্যাঙ
কাতাগিরি তার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে দেখে—একটা বিশাল ব্যাঙ তার জন্য অপেক্ষা করছে। পেছনের দুই পায়ে দাঁড়ানো সে ব্যাঙ ছয় ফুটের বেশি লম্বা, শক্তপোক্ত তার শরীর।

থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার
নমনীয় মিহি গলার আওয়াজ। দরজা খুলে দিলাম। হকচকিয়ে গেছি। বিস্ময়ে আমার ভেতর অবশ ভাব চলে এসেছে। হতভম্ব চোখে দেখলাম সামনে হিম দাঁড়িয়ে আছে।

অনাহূতের মতো :: উম্মে ফারহানা
সাবরিনা বুঝতে পারে না নাদিয়ার এমন ইমম্যাচিউর কথাবার্তার কারণটা কী। দিন দিন ওর বুদ্ধিশুদ্ধি কমছে নাকি?

মার্কেসের প্রথম গল্প—তৃতীয় সমর্পণ
অল্প সময়ের মধ্যেই সে সেই বাক্সের ভেতরেই বড় হতে শুরু করল। প্রতিবছর শেষের বালিশ থেকে একটু করে তুলা বের করে দেওয়া হতো, যাতে তার বৃদ্ধির জন্য জায়গা তৈরি হয়।

সময়হীন কক্ষে :: শাহ্নাজ মুন্নী
‘আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? বলুন, কোনো তথ্য আড়াল করবেন না। কারা মদদ দিচ্ছে আপনাকে? কত টাকা পেয়েছেন? কোথায় সেই টাকা? চুপ করে থাকবেন না। বলুন!’