
অনুশোচনায় অশ্রু ঝরবে যে ১০ আয়াত পাঠে
মানুষ হিসেবে আমাদের ভুল হওয়া বা পাপে লিপ্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। নিরাশ না হয়ে নতুন করে জীবন শুরুর প্রেরণা জোগাতে তওবা বিষয়ক ১০টি অনন্য আয়াত তুলে ধরা হলো।

মানুষ হিসেবে আমাদের ভুল হওয়া বা পাপে লিপ্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। নিরাশ না হয়ে নতুন করে জীবন শুরুর প্রেরণা জোগাতে তওবা বিষয়ক ১০টি অনন্য আয়াত তুলে ধরা হলো।

অনুবাদ কেবল আমাদের অর্থের একটি সাধারণ ধারণা দেয়, কিন্তু সেই শব্দের অন্তরালে থাকা জ্যোতি পেতে হলে মূল ভাষার কাছেই ফিরে যেতে হবে।

কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

পৃথিবীর সব সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র হলো সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা। আল্লাহর ইবাদতের পরেই বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সদাচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শয়তান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষের অন্তরে সংশয়, মন্দ চিন্তা আর অন্যায়ের প্ররোচনা তৈরি করে। এই অদৃশ্য শত্রুর ফাঁদ থেকে বেঁচে থাকা মুমিনের বড় সংগ্রাম।

একটা চিন্তা শেষ হয় না, আরেকটা শুরু হয়। এই অবস্থার নাম ‘ওভারথিংকিং’। আজকের পৃথিবীতে লাখো মানুষ প্রতি রাতে এই যন্ত্রণায় ভোগে। সমাধান কী?

দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে চিরস্থায়ী আখিরাতকে ভুলে যাওয়া প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়। দুনিয়ার আসক্তি কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করতে কোরআনের ১০টি দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।

অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং প্রকৃত সাফল্য লাভের জন্য আল্লাহ–তাআলা কোরআনে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দিয়েছেন। জীবন-সংগ্রামের এই পরীক্ষায় সফল হতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত।

জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত আমাদের থমকে দিতে চায়, কিন্তু পবিত্র কোরআন আমাদের শেখায় কীভাবে ধৈর্যের মাধ্যমে প্রতিকূলতা জয় করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়।

কোথাও বৃষ্টি এসেছে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবিত করার রহমত হিসেবে, আবার কোথাও তা অবাধ্য জাতির ওপর নেমে এসেছে আজাব বা শাস্তি হয়ে।

সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।