যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে যে দলই ট্রফি জিতুক না কেন, তাদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেবেন কাতার এয়ারওয়েজের কেবিন ক্রুরা। উপসাগরীয় অঞ্চলের এই বিমান সংস্থার সঙ্গে ফিফার সর্বোচ্চ স্তরের অংশীদারত্ব চুক্তি রয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।
ইরান সংকটকে ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। যখন কোনো অঞ্চলে সামরিক শক্তি প্রত্যাশিতভাবে ‘প্রতিরোধক্ষমতা’ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তখন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তেল।
সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্দার আড়ালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপেরই অংশ ছিল এ বিমান হামলাগুলো।
ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি, পর্যটন ও আর্থিক খাতে বড় ধাক্কা লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কাতার ও কুয়েত।
ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েক দেশের ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
সাম্প্রতিক কিছু সংবাদ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে গভীর অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। খবর আসছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন কোরের অত্যন্ত শক্তিশালী দুটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ) পারস্য উপসাগরের দিকে রওনা দিয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা হামলা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ঝুঁকিগুলোকে আমূল বদলে দিয়েছে।
ইরানের বক্তব্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। দেশটি জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হয়নি। হাইলাইট