ছুটি কীভাবে কাটাবেন: মুমিনের জন্য ৮ পরামর্শ
ইসলামে বিরতি বা ছুটি কাটানো কোনো অন্যায় নয়; বরং এটিকে যদি সঠিক নিয়তে ও পরিকল্পনামতো কাজে লাগানো যায়, তবে তা মানসিক শক্তি পুনরুদ্ধারে দারুণ ভূমিকা রাখে।
ইসলামে বিরতি বা ছুটি কাটানো কোনো অন্যায় নয়; বরং এটিকে যদি সঠিক নিয়তে ও পরিকল্পনামতো কাজে লাগানো যায়, তবে তা মানসিক শক্তি পুনরুদ্ধারে দারুণ ভূমিকা রাখে।
ছোট ছোট ভালো অভ্যাসের ধারাবাহিক চর্চাই মানুষকে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী করে। ইসলাম মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে চরিত্র ও আমলের সৌন্দর্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
ইসলামে উসুল ও উদ্দেশ্যভিত্তিক দর্শন বা ‘মাকাসিদুশ শরিয়াহ’ নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এখানে ধর্ম এবং মানবসত্তা হলো সেই দুটি মূল ভিত্তি বা উপরি-সাংবিধানিক মূলনীতি।
আপনি ভালো কিছু করতে গেলে নানা বাহানায় আপনাকে অনুৎসাহিত করে। তখন মনে হয় না, এই মানুষটা কি আসলে বন্ধু নাকি অন্য কিছু?
দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে চিরস্থায়ী আখিরাতকে ভুলে যাওয়া প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়। দুনিয়ার আসক্তি কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করতে কোরআনের ১০টি দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।
দার্শনিক প্রশ্ন অনেক সময় কেবল প্রশ্নের খাতিরেই করা হয়, কিন্তু কোরআনের প্রশ্ন মানুষকে এক গভীর জীবনবোধ ও নৈতিক দায়বদ্ধতার দিকে নিয়ে যায়।
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।
ইসলামে মূল্যবান সম্পদের কেনাবেচায় সাক্ষী ও লিখিত চুক্তি রাখা অত্যন্ত জরুরি। এটি মানুষের ভুল, বিস্মৃতি ও মৃত্যুকালীন জটিলতা থেকে রক্ষা করে। কোরআনের সুরা বাকারার ২৮২ নম্বর আয়াতে এর বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে।
পেশাগত জীবনে দুর্নীতি এড়িয়ে সততা বজায় রাখার ইসলামের ১০টি নির্দেশনা। কুরআন-হাদিসের আলোকে হালাল উপার্জন, আমানত রক্ষা ও ন্যায়বিচারের সূত্রগুলো। এগুলো পালন করলে আত্মশান্তি ও সমাজকল্যাণ নিশ্চিত।
ইসলামের স্বর্ণযুগে আলেমরা সমাজবিচ্ছিন্ন দরিদ্র গোষ্ঠী ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন বাণিজ্যের সক্রিয় অংশীদার। অর্থনৈতিক স্বাধীনতাই তাঁদের জ্ঞানচর্চাকে শাসকের অনুগ্রহ থেকে মুক্ত রাখতে সহায়ক হয়েছিল।
কিছু অভ্যাস শুধু মানুষের সম্মানই নষ্ট করে না, বরং সামাজিক শান্তি ও সংহতিকেও ধ্বংস করে দেয়। এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে ইসলামের ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো: