
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা কি ব্যর্থ হতে চলেছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলেও অনুমতি পায়নি বিএসসির জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের বাহিনী অনুমতি অস্বীকার করায় জাহাজটি আবার নোঙর ফেলেছে। জাহাজে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন।

আরব সাগরে মিসাইল হামলায় বাংলাদেশি নাবিক এহসান সাবরি রিহাদের জাহাজ কেঁপে ওঠে এবং আগুন লেগে যায়। তিনি বর্ণনা করেছেন, ‘মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছিলাম’। দ্বিতীয় মিসাইলের আঘাতে তারা কোনোমতে বেঁচে যান।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির আগের দিন, গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হামলার মুখে পড়ে জাহাজটি। চীনের সাংহাই থেকে পণ্য নিয়ে ওমানের সোহার বন্দরের দিকে যাচ্ছিল জাহাজটি। তখন সেটি আরব সাগরে, গন্তব্যবন্দর থেকে প্রায় ২০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও রাজধানীতে তেলের দীর্ঘ লাইন। প্রাইভেট কার চালকরা দুই দফায় ১৯ ঘণ্টা অপেক্ষা করে তেল পেয়েছেন। ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল ও কারের বিপুল সংখ্যক সারি লেগেছে।

পাকিস্তান তৈরি করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা শেষের দুই ধাপের পরিকল্পনা, যাতে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি এবং পরে বিস্তৃত চুক্তি অন্তর্ভুক্ত। আজ সোমবারই এটি কার্যকর হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে যেতে পারে। সেনাপ্রধান আসিম মুনির সারা রাতের যোগাযোগের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছে প্রস্তাবটি।