আল্লাহর ওপর ভরসা করার ৬ উপকার
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।
একজন মুমিনও আল্লাহর প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা নিয়ে জীবনযাপন করে। সে ভালো কাজ করার পরও ভয় পায়, যদি তাতে কোনো ত্রুটি থেকে যায়; আবার খারাপ কাজ করলে সে ভয় পায় আল্লাহর শাস্তির।
যারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়তে চায়, আল্লাহ তাদের বঞ্চিত করেন না, বরং হেদায়েতের পথ সহজ করে দেন।
ভালোবাসা হলো তাঁর মাথা, আশা ও ভয় তাঁর দুই ডানা। মাথা ও দুটি ডানা যথাযথভাবে থাকলেই পাখি উড়তে পারে। মাথা কেটে ফেললে পাখি মারা যায়।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
নিজের পাপরাশি থেকে মুক্ত হতে আল্লাহ–তাআলার কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করা, এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দের একটি আমল।
বান্দা ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করে, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখে। এর প্রতিদানও আল্লাহ নিজেই প্রদান করেন।
ভ্লগিং সংস্কৃতির কারণে মানুষের ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য এখন আর প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ বা মানসিক প্রশান্তি নয়; বরং তা হয়ে উঠেছে কেবলই লাইক, ভিউ ও ভার্চ্যুয়াল জগতে নিজের আভিজাত্য জাহির করার মাধ্যম।
পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।
পার্থিব প্রতিযোগিতার এই যুগে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো নিজেকে জিজ্ঞেস করা—আমি কিসের পেছনে ছুটছি? মানুষের প্রশংসা, নাকি আল্লাহর সন্তুষ্টি?
রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।