গ্যাঁড়াকলে মধ্যপ্রাচ্য: কী করবে সৌদি ও আরব আমিরাত?
যে যুদ্ধ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, শেষ পর্যন্ত সে যুদ্ধই শুরু হয়েছে।
যে যুদ্ধ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, শেষ পর্যন্ত সে যুদ্ধই শুরু হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইরানে সমন্বিত হামলা চালানোর জন্য উপসাগরীয় নেতাদের রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সংযুক্ত আবর আমিরাতের ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়টাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং যুদ্ধপরিস্থিতির কোনো সমাধান না থাকায় উপসাগরের সব তেল উৎপাদকই এখন চাপে আছে।
ইরান যুদ্ধের মধ্যে নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফরের দাবিকে ইউএই ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর দাবি করেছে, ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’-এর সময় শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এতে ইসরায়েলের সঙ্গে 'আঁতাত'কারীদের জবাবদিহিতার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
আমিরাত একসময় পর্যন্ত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের অংশ ছিল।
সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে জিলহজ শুরু হতে পারে ১৮ মে, যার ফলে ঈদুল আজহা ২৭ মে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছয় দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত একটা সময় পর্যন্ত ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের অংশ ছিল।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব আদর্শ ও মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে তীব্রতর হয়েছে।
সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।
সৌদি আরবের এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে রিয়াদের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘এই খেলা’ আর চলবে না। ইয়েমেন থেকে সুদানসহ বিভিন্ন দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিলিশিয়াদের সমর্থন দিয়ে আমিরাত যেভাবে নিজের সামরিক প্রভাব বাড়াচ্ছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আর তা নীরবে মেনে নিতে রাজি নন।
বিশ্বে প্রথমবারের মতো সোনায় মোড়ানো সড়ক তৈরি করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক থেকে আগামী মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের জন্য একটি সতর্কবার্তা।