ছায়ানদী
কেরামতের জন্ম হয়েছিল দারিদ্র্যের ভেতর, কিন্তু সে দারিদ্র্যকে কখনো ক্ষমা করেনি। প্রথম খুন করেছিল বিশ বছর বয়সে। সেদিন রাতে সে বমি করেছিল অনেক। এখন আর করে না।
কেরামতের জন্ম হয়েছিল দারিদ্র্যের ভেতর, কিন্তু সে দারিদ্র্যকে কখনো ক্ষমা করেনি। প্রথম খুন করেছিল বিশ বছর বয়সে। সেদিন রাতে সে বমি করেছিল অনেক। এখন আর করে না।
বর্তমানে একজন স্বাধীন গবেষক ও মেশিন লার্নিং বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমার গবেষণার মূল প্রশ্ন একটিই: আমরা কীভাবে এআই-কে চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি নির্ভরযোগ্য, বৈষম্যহীন এবং সহজলভ্য সহযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে পারি?
সড়ক দুর্ঘটনায় কেবল আইন ও শাস্তি দিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ও সচেতনতা কর্মসূচি।
আমি ‘বাংলাদেশে মাতৃস্বাস্থ্য ঝুঁকি পূর্বাভাসে এক্সপ্লেইনেবল এআই’–বিষয়ক যে প্রকল্পে কাজ করছি, তাতে এই ‘ইন্টারসেকশনাল ফেয়ারনেস’, অর্থাৎ লিঙ্গ, আয়, পরিচয়ের চেয়ে ন্যায্যতা নিশ্চিত করাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।
প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি-সাহিত্যকে যত্নের সঙ্গেই লালন-পালন করতে হবে। বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রচার ও তার প্রসার ঘটাতে প্রবাসী সব বাঙালিকে নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। তাদেরই ভেবে বের করতে হবে যথাসম্ভব নতুন উপায়।
১৯৫৪ সালের আগে যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ ছাত্র-ছাত্রীরা শ্বেতাঙ্গদের স্কুলে ভর্তি হতে পারত না। শুধু বর্ণের ভিত্তিতে দুই ধরনর স্কুলব্যবস্থা চালু ছিল।
ছুটির দিনে দুপুরের খাবারের পর একটা ভাতঘুমের অভ্যাস দীর্ঘদিনের। তারই প্রস্তুতি যখন করছি, এমন সময় ফোন।
ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই এমন দখলদার মানসিকতা বৈধতা পায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এই জোটের প্রয়োজনীয়তা কোথায়।
এই পরিবর্তন বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতা উন্মোচিত করেছে—সীমিত ও ক্ষয়িষ্ণু জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও দেশীয় সক্ষমতা বিকাশে দীর্ঘদিনের ঘাটতি।
বাংলাদেশের করপোরেট খাত, বিশেষত ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের চর্চা থেকে সরে না এলে টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়।
মিশিগানের হল্যান্ড শহরে উদ্যাপন করা হলো বাংলা বর্ষবরণ উৎসব ১৪৩৩, যেখানে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলা এবং খাবারের আয়োজন মনোমুগ্ধ করে প্রবাসী বাঙালিদের।