আমেরিকার ছায়া ছেড়ে তুরস্ক কি নতুন মেরুকরণের পথে এগোচ্ছে
তুরস্কের মতো দেশ এবং অন্যান্য উদীয়মান বা মধ্যম শক্তির রাষ্ট্রগুলো একটি নতুন পথ খুঁজছে।
তুরস্কের মতো দেশ এবং অন্যান্য উদীয়মান বা মধ্যম শক্তির রাষ্ট্রগুলো একটি নতুন পথ খুঁজছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঘন আকাশের নিচে এক নতুন অস্বস্তিকর সত্য ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আমেরিকাকে এমন এক যুদ্ধে টেনে এনেছেন, যার শেষ কোথায়, তা কেউ জানে না।
ইরান জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো চিন্তাই করছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে তারা অনড়।
ট্রাম্প যখন ভাষণ শুরু করেন, তখন তাঁর সমর্থকেরা ‘ইউএসএ’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর অনলাইনে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. জিল্লুর রহমান খান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘নতুন করে তারা পুরোনো নীতি আদর্শের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত করবে। কোন ইনসাফ? গোপনে আমেরিকার সঙ্গে বসে তারা ইনসাফ বাস্তবায়ন করবে? গোপনে ভারতের সঙ্গে বসে ইনসাফ বাস্তবায়ন করবে? এ ইনসাফ বাংলার মানুষ আর দেখতে চায় না।’
আড়াই শ বছর আগে, রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় আমেরিকা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এ দেশের প্রত্যেক মানুষ সম-অধিকারসম্পন্ন হবে। সে প্রতিশ্রুতি রক্ষিত হয়নি। কিন্তু তা পূরণের জন্য লড়াই থেকেও আমেরিকার মানুষ পিছিয়ে থাকেনি। জর্জ ওয়াশিংটন থেকে আব্রাহাম লিঙ্কন, সেখান থেকে আজকের মামদানি, সেই লড়াইয়েরই অব্যাহত ধারা।
ইহুদি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস থেকে শুরু করে আধুনিক ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বের বিশ্লেষণ। ইরান টিকে থাকার কৌশল অনুসরণ করছে, আমেরিকা-ইসরায়েলের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতসহ সভ্যতার দীর্ঘতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এক বছর আগে প্রেসিডেন্টের চেয়ারে ফেরার পরপরই এক নির্বাহী আদেশে ভয়েস অব আমেরিকা কার্যত বন্ধ করে দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন তা আবার সচল করার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।
আজ থেকে আড়াই শতাব্দী আগে, ১৭৭৬ সালে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন।
প্রায় ২৫ বছর পর সেই ক্ষতির পরিমাপ করা এখন সহজ। এ হামলা মার্কিন বৈশ্বিক নেতৃত্বের পতনের সূচনা করেছিল। এটি আমাদের স্থায়ী ভয় ও জরুরি অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। এটিই পরবর্তী সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের দ্রুত পতনকে ত্বরান্বিত করে।
চার বছর আগের কথা। পশ্চিমা ফুটবল বিশ্ব হঠাৎ তাদের বিবেক খুঁজে পেয়েছিল। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের আগে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও জার্মানির মতো বহু দেশের ফুটবল ফেডারেশন আয়োজক দেশের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলে।