দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটাতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
রাসুলের জীবনে জিলকদ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। হাদিস থেকে জানা যায়, তিনি যে ওমহরাহগুলো আদায় করেছেন, সেগুলোর অধিকাংশই এই মাসে সম্পন্ন হয়েছে।
পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।
লাইলাতুল কদর এমন একটি রাত, যার মর্যাদা হাজার মাসের চেয়েও বেশি। অর্থাৎ এক রাতের ইবাদত তিরাশি বছর চার মাসের বেশি সময়ের ইবাদতের সমান।
অনেকেই ইসলাম পালনের শুরুতে প্রবল উদ্যম নিয়ে প্রায় সব ধরনের ইবাদত শুরু করেন। কিন্তু একপর্যায়ে অতিরিক্ত বোঝার চাপে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে ইবাদত ছেড়ে দেন।
মহররম শব্দের অর্থ ‘সম্মানিত’। ইসলামি চান্দ্রবর্ষের প্রথম মাস হলো মহররম।
‘মদিনা মুনাওয়ারা’ হলো প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর; শান্তির নগর। মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। নবীজি (সা.)-এর হিজরতের পর এই স্থানের নাম হয় মদিনাতুন্নবী বা নবীর শহর।
এই বৃষ্টির সময় একজন মুমিনের কিছু করণীয় রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন মুমিন মহান আল্লাহর এই বিশেষ নিয়ামতকে যেমন উপভোগ করতে পারবে, তেমনি এই সময়টুকু তাঁর ইবাদতে শামিল হবে।
চোখ যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তবে তা বহু পাপের পথ খুলে দিতে পারে। তাই ইসলাম দৃষ্টির হেফাজতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
কোরবানি শব্দের অর্থ নৈকট্য লাভ করা, ত্যাগ ও তিতিক্ষা প্রদর্শন করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ত্যাগের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য অর্জনই হলো কোরবানি।
জিলহজ মাস হজের প্রধান মাস, যার ৮ থেকে ১২ তারিখে হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই মাসে রোজা, তাকবির, কোরবানি ও বিভিন্ন ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে এর আমলগুলো জানুন।
শাওয়াল হলো আরবি চান্দ্রবর্ষের দশম মাস। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) প্রথম মাস।