কে ফিরিয়ে আনবে দেশের পাচারকৃত অর্থ
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশ এক ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের অভিঘাত
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশ এক ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের অভিঘাত
প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিজ্ঞাপনের নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা।
অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সিআইডি বলেছে, তারা অর্থ পাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
অভিযানে তিন অনলাইন জুয়ার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি, তাঁরা অনলাইন বেটিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার করছিলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১১টি গ্রুপ নিয়ে তদন্ত শুরু। ৬টির ‘পাচার করা’ টাকা খুঁজতে চুক্তি করেছে ১০ ব্যাংক।
গুলশান থানার ওসিকে নথি সংগ্রহ করে সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম এবং শিল্প গ্রুপ বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন–সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গ্রুপটি।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক মোহাম্মদপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ১৯ মে সম্পদ জব্দের আদেশ দেন আদালত।
বাংলাদেশ সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।