ইন্টারভিউতে গুগলের সিইওর কেন মনে হয়েছিল, তাঁর সঙ্গে প্র্যাঙ্ক করা হচ্ছে
২০০৪ সালে যেদিন গুগলে আমার শেষ ইন্টারভিউটা দিই, সেদিন ছিল এপ্রিল ফুলস ডে। ঠিক সেদিনই জিমেইল চালু হয়।
২০০৪ সালে যেদিন গুগলে আমার শেষ ইন্টারভিউটা দিই, সেদিন ছিল এপ্রিল ফুলস ডে। ঠিক সেদিনই জিমেইল চালু হয়।
‘মানে কী! স্প্যানিশ ছেলেটা কি সত্যিই কাঁদছে? সামান্য ফুটবলের জন্য!’ ওরা বুঝতে পারছিল না, এই জয় আমার কাছে কী।
ব্রাজিলে ফুটবল একটা ঢেউয়ের মতো, যার ওপর আপনাকে সওয়ার হতেই হবে। মাঠে ফেরাটা আমাকে মানসিক শান্তি দিয়েছিল।
দানি, জলদি এসো! কী ঘটতে যাচ্ছে, তুমি বিশ্বাস করতে পারবে না! লিওনেল মেসির সঙ্গে তোমার ছবি তোলা হবে!
মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে গিয়ে ঋণ নিতে হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে ১ হাজার ১০০ টাকা কিস্তি টানেন।
যখন গবেষণার কাজ শুরু করি, তখন বুঝতে পারি যে শুধু রেজাল্ট দিয়ে সবকিছু নির্ধারিত হয় না।
একটা বিশাল আগুন জ্বালিয়েছেন, যেটা এক রাতেই নিভে গেছে। অথচ দরকার ছিল একটা ছোট্ট মোমবাতি, যেটা প্রতিদিন একটু একটু করে জ্বলে।
বছরের পর বছর আমি প্রায় সব কাজকেই হ্যাঁ বলেছি। কারণ ভেবেছিলাম, সুযোগ পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার, এটা হেলায় হারানো ঠিক না।
‘ভোগ অ্যারাবিয়া’র মে মাসের প্রচ্ছদে দেখা দিয়েছেন বলিউড ও হলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কভার স্টোরি থেকে প্রিয়াঙ্কার বাছাই করা সেরা কিছু উক্তি।
কেউ হয়তো খুব মেধাবী, কিন্তু সম্পর্ক সামলাতে পারেন না। আবার কেউ হয়তো জিনিয়াস নন, তবুও সবাই তার পাশে স্বস্তি বোধ করে। এই পার্থক্যের জন্য দায়ী আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা।
সাত বছরে একের পর এক বাড়ির দরজা আমার মুখের ওপর বন্ধ হয়েছে, আর বারবার একটা কথাই শুনেছি—‘না’।
আমি একটা বোতাম চাপব, আর সাদা ‘কেইপ’ পরা একদল বিজ্ঞানী জাদুর মতো নিরাময়ক্ষমতা নিয়ে আমার পাশে এসে দাঁড়াবেন।