
নৌবাহিনীতে ৩০ ক্যাটাগরির বেসামরিক পদে বড় নিয়োগ, পদ ২১৪
নৌবাহিনীতে ৩০ ক্যাটাগরিতে ২১৪টি বেসামরিক পদের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক, নার্স, ফায়ারম্যান প্রভৃতি। আবেদন শুরু হয়েছে ৭ জুন ২০২৬ থেকে।

নৌবাহিনীতে ৩০ ক্যাটাগরিতে ২১৪টি বেসামরিক পদের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক, নার্স, ফায়ারম্যান প্রভৃতি। আবেদন শুরু হয়েছে ৭ জুন ২০২৬ থেকে।

একসময়ের ‘অকেজো দ্বীপ’ কুরাসাও এখন বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখছে। দেড় লাখ মানুষের এই ক্যারিবীয় দেশ বাছাইপর্বে অপরাজিত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন।

আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানান আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের নেতারা।

বাংলাদেশের মানুষ যে সরকারকে নির্বাচিত করেছে, তাদেরকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে আয়োজিত অদম্য নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে কলসিন্দুরের ফুটবলারদের আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানিকে এবং বাংলাদেশ চার দলে ভাগ করা হয়।

সুন্দরবনের ভেতর বাংলাদেশ-ভারত নৌপথে পাঁচটি জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা হয়েছে। ভারতগামী জাহাজগুলোর চারটি দ্রুতগতিতে চালিয়ে নিরাপদে যেতে পারলেও আক্রান্ত হয় এমভি আবদুল হাকিম-১ নামের একটি কার্গো জাহাজ।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশি সন্দেহে বহু মানুষকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর)।

সুইজারল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান মার্কাস লেইটনার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে নেসলে বাংলাদেশের কারখানা পরিদর্শন করেছেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা প্রবাসী কর্মীরা। আমরা তাদের গর্ব করে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বলি। কিন্তু একটু বুকের ওপর হাত রেখে ভাবলে প্রশ্ন জাগে-আমরা কি সত্যিই তাদের জন্য একটি ন্যায্য, নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?

যে মেয়েরা এশিয়ার শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে অমন লড়াকু ফুটবল উপহার দিল, তারা সাফের আঞ্চলিক মঞ্চে এসে এভাবে খেই হারিয়ে ফেলল কেন?

বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পের যে ধারা, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন থেকে কামরুল হাসান পর্যন্ত, সেটা মূলত ‘মানুষীয়’ ধারা। দুর্ভিক্ষের মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের মানুষ, মাটির মানুষ। এই ধারায় ছবি একটা সাক্ষ্য দেয়; ঘটনার, সময়ের, যন্ত্রণার। কিবরিয়া এই ধারার বাইরে। তবে বিপরীতে নন, অন্য কোথাও। তিনি সাক্ষ্য দেন না, তিনি একটা অবস্থা তৈরি করেন। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।