মার্কিন হামলা ও প্রাথমিক সমঝোতা ব্যর্থ—ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ‘পরের পরিকল্পনা’ কী
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলায় ফিরলেও তাদের কোনো সুস্পষ্ট ‘প্ল্যান সি’ দৃশ্যমান নয়।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলায় ফিরলেও তাদের কোনো সুস্পষ্ট ‘প্ল্যান সি’ দৃশ্যমান নয়।
হরমুজে জাহাজ চলাচল কমায় জ্বালানি তেলের বাজারে সংকট আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা।
ইরানে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের পর তেলের দাম বাড়লেও মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে উদ্বেগে সোনার দাম কমেছে। স্পট ও ফিউচার মার্কেটে দরপতনের পাশাপাশি রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও নেমেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্পের সামনে এখন খুব বেশি বিকল্প খোলা নেই। যেসব পথ খোলা আছে, তার প্রায় সবই ঝুঁকিপূর্ণ।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত ১৭ জুন একটি সমঝোতায় সই করেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা।
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
ইরানের আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পরিপ্রেক্ষিতে আইএমও এ উদ্যোগ নিয়েছে।
সুইজারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনার পর তেল, ব্যাংকিং ও পরিবহন খাতে কিছু ছাড়ের ইঙ্গিত মিলেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে ওয়াশিংটন ও তেহরান—দুই পক্ষই কৌশলগতভাবে লাভবান হয়েছে।