এক দিন আগেই যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করলেন ট্রাম্প–পেজেশকিয়ান
এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।
এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।
ট্রাম্পের নীতিতে বিভক্ত ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানরা।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর পাল্টা হামলার বিষয়ে দোটানায় পড়েন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।
বৈশ্বিক পুঁজির কেন্দ্র, বিশ্ববাণিজ্যের লজিস্টিক কেন্দ্র এবং সব বড় শক্তির অংশীদার হওয়ার কারণেই আইআরজিসির জন্য আমিরাত ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু।
চীনের নিজেদের শক্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা রাখা ঠিক হবে না। দেশটির উচিত, নিজেদের অভিজ্ঞতার অভাবকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া এবং এই সংঘাতের ফলাফলকে ছোট করে না দেখা।
ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তিনি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন
যুদ্ধের বিভিন্ন দিক যাচাই করে যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, এই যুদ্ধে তাদের জেতার সম্ভাবনা খুব কম।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আলোচনায় এখন পাকিস্তান।
যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের ধারণা, প্রেসিডেন্ট এই যুদ্ধের জন্য জনগণকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেননি এবং যুদ্ধের কারণও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।