সব শঙ্কা কাটিয়ে সবচেয়ে বেশি হলে মুক্তি পেয়েছে ‘রকস্টার’
এবারের ঈদের সর্বোচ্চসংখ্যাক হলো পেয়েছে ‘রকস্টার’ সিনেমাটি। মাল্টিপ্লেক্স চেইন, একক হলসহ মোট ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে চলবে ‘রকস্টার’।
এবারের ঈদের সর্বোচ্চসংখ্যাক হলো পেয়েছে ‘রকস্টার’ সিনেমাটি। মাল্টিপ্লেক্স চেইন, একক হলসহ মোট ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে চলবে ‘রকস্টার’।
ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি, গাবতলী ও উত্তর শাহজাহানপুর পশুর হাট ঘুরে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা যায়। বিপরীতে হাটে পর্যাপ্ত গরু দেখা গেছে।
টানা বৃষ্টি ও কাদাপানির মধ্যে মৌলভীবাজারের কোরবানির পশুর হাটে ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। শেষ মুহূর্তের হাটে ছোট গরুর চাহিদা থাকলেও বড় গরু বিক্রি নিয়ে হতাশ খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
তবে শাকিবের নতুন ছবি ‘রকস্টার’–এর নির্মাতা জানিয়েছেন, ঈদের দিন থেকেই সিনেমাটি মাল্টিপ্লেক্সে চলবে এ ব্যাপারে আশাবাদী তাঁরা।
মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশের আগের এ সময় প্রকৃতির ‘বেহিসাবি’ আচরণ চোখে পড়ছে। এটাকে এ সময়ের বৈশিষ্ট্য বলেই মনে করেন আবহাওয়াবিদেরা।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।’
মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, বৃষ্টির কারণ গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার বিস্তার। এটা স্থানিক মেঘ। একটি নির্দিষ্ট স্থানে কিছু সময়ের জন্য বৃষ্টি ঘটায় এই মেঘ।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। এখনো মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের ঢল থামেনি। রাতভর যানজটে নাকাল হওয়ার পর গাজীপুরে ঢাকা–টাঙ্গাইল ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকালে কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তবে আজ বুধবার সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টি যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল থেকে বাড়ির পথে ছুটছেন হাজারো পোশাকশ্রমিক। ঝোড়ো বৃষ্টি, কাদামাটি, যানজট ও বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তি পেরিয়েও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দে মুখর ঘরমুখী মানুষ।
দীর্ঘদিন না চালালে বা ভালোভাবে না রাখলে মোটরসাইকেলের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। আর তাই লম্বা ছুটিতে যাওয়ার আগেই এই ৮টি বিষয় মেনে চলতে হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। ঈদকে কেন্দ্র করে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে আজ সোমবার থেকে ধাপে ধাপে পোশাক কারখানার ছুটি শুরু হয়েছে। ফলে মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের উপস্থিতিতে গাড়ির চাপ বেড়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, বর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিতভাবে নালা নির্মাণের কারণে সামান্য বৃষ্টি হলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।