
জেনোসাইড অস্বীকৃতির রাজনীতি ও মনস্তত্ত্ব
আমাদের বোঝা দরকার, কেন এত বছরেও বাংলাদেশ জেনোসাইড আন্তর্জাতিক পরিসরে কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ ও স্বীকৃতি লাভ করতে পারেনি?

আমাদের বোঝা দরকার, কেন এত বছরেও বাংলাদেশ জেনোসাইড আন্তর্জাতিক পরিসরে কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ ও স্বীকৃতি লাভ করতে পারেনি?

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা, সেই আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সাম্য ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে আমরা এই বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা এটার জন্যই এ মুহূর্তে কাজ করছি।’

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘সবাইকে স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা একটা নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি।’

ইইউ চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিভিন্ন দেশ থেকে ৭০৩ কোটি ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ১৫ শতাংশ কম।

মন্ত্রিসভা আরেক দফায় পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের একটি মন্ত্রণালয় কমানো হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে জয়া লিখেছেন, এমন অকল্পনীয় জেনোসাইড পৃথিবী কমই দেখেছে। এই জেনোসাইডের স্মৃতি আমাদের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ২০টির বিষয়ে এখনো একমত হতে পারেনি জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

গোদাগাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিশ কোনো দায়িত্ব নিতে চায়নি। ইউএনওর কাছে গিয়েছিলাম, তিনিও এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’

আরেকটা বিষয় হচ্ছে আমি যে ততদিন বেঁচে থাকব তার নিশ্চয়তা কোথায়। তাই বাকি জীবনটা স্বপ্ন দেখেই কাটাতে হবে। আমার সেই বন্ধুটাও একই কথা বলল।

শুধু উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে নয়, এ পর্যন্ত বিএনপির সব নিয়োগেই একদলীয় অগ্রাধিকার বা একক অধিকার লক্ষ করা যায়। নতুন মেয়র নিয়োগ, ২০ বছর আগের পুলিশ কর্মকর্তাদের পুনর্নিয়োগ এবং আগেকার বিএনপি আমলের আমলাদের পুনর্নিয়োগ সবই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের আগের শাসন সময়ের পরিচিত পথ। কিন্তু এসব পদ্ধতি দলগুলোর জন্য আগে কোনো সুফল বয়ে আনেনি; এখনো যে আনবে না, তা আগেভাগে বলে দেওয়া যায়।

শিক্ষা খাতে এখনো বড় কোনো দৃশ্যমান সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ শুরু হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা ভিন্নধর্মী একটি বিপদের সংকেত পাচ্ছি; তা হলো দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পাশ কাটিয়ে কিছু চমকপ্রদ নীতি গ্রহণ, যেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা প্রাধান্য পাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।