ট্রাম্পের ‘অপমানজনক’ বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ইউরোপ
আফগানিস্তান যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ৪৫৭, কানাডার ১৫০, ফ্রান্সের ৯০ ও ডেনমার্কের ৪৪ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া জার্মানি, ইতালি ও অন্যান্য দেশের অনেক সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।
আফগানিস্তান যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ৪৫৭, কানাডার ১৫০, ফ্রান্সের ৯০ ও ডেনমার্কের ৪৪ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া জার্মানি, ইতালি ও অন্যান্য দেশের অনেক সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।
ইইউ ও ভারতের মূল লক্ষ্য হলো, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ঝুলে থাকা ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ (এফটিএ) চূড়ান্ত করা। ট্রাম্পের শুল্কনীতিও তাদের এ ক্ষেত্রে উৎসাহিত করছে।
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকিকে ঘিরে উত্তপ্ত বিশ্বরাজনীতি। যার প্রভাব পড়েছে ফুটবল মঞ্চেও।
যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পুনর্গঠন তদারকি করার জন্যই মূলত এই পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো শ্রমিক ও শিক্ষার্থী।
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মুখে সেখানে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে ডেনমার্ক।
‘ট্রেড বাজুকা’ যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্যের ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ বন্ধ করতে পারে বা রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে
এই পর্ষদের লক্ষ্য হিসেবে বিশ্বব্যাপী সংঘাত নিরসনের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের গাজায় শাসনব্যবস্থা তদারকি ও পুনর্গঠন কার্যক্রমের কথা বলা হচ্ছে।
ট্রাম্পের এমন ইচ্ছার ব্যাপারে মার্কিন জনগণের অবস্থান কী?
ট্রাম্পের শুল্কারোপের ঘোষণা মূলত ইউরোপের বর্তমান বাস্তবতাকে উপেক্ষা করছে। বাস্তবতা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের সদস্যদেশগুলোর আলাদা কোনো বাণিজ্য চুক্তি নেই।
কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।
গত বছরের শেষের দিকে ট্রাম্পের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনি নিজেই এ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন।