
ইরানে কি ট্রাম্প হেরে যাচ্ছেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হয়তো প্রতিটি লড়াইয়ে জিতেছেন। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে হামলার তিন মাস গড়ানোর পর তিনি এখন বড় এক প্রশ্নের মুখে। সেটি হলো, তিনি কি আসলে যুদ্ধে হারছেন?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হয়তো প্রতিটি লড়াইয়ে জিতেছেন। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে হামলার তিন মাস গড়ানোর পর তিনি এখন বড় এক প্রশ্নের মুখে। সেটি হলো, তিনি কি আসলে যুদ্ধে হারছেন?

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।

তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র আপাতত বিক্রি করছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য গোলাবারুদের মজুত ধরে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

নিজেদের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে যেতে দেবে না ইরান।

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘অন্তত ৪২টি বিমান’ হারিয়েছে

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি সীমিত, মিত্রও কম। কিন্তু তাদের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে তারা অন্যদের ওপর খরচের বোঝা চাপিয়ে নিজে লাভ করতে পারে।

ঈদুল আজহার আগে এই পবিত্র সময়ে ইরানে হামলা চালালে মুসলিম বিশ্বে ওয়াশিংটনের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিপজ্জনক ধারণা হচ্ছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান অথবা ইসরায়েলের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে অতীব সরল এ ধারণা কৌশলগত দিক থেকে বিভ্রান্তিকর।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।