অতি উৎপাদন ও জোরপূর্বক শ্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত, উদ্দেশ্য কী
গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানি দ্রুত বেড়েছে, অথচ একই গতিতে রপ্তানি বাড়েনি। যদিও সেবা রপ্তানিতে তাদের উদ্বৃত্ত আছে।
গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানি দ্রুত বেড়েছে, অথচ একই গতিতে রপ্তানি বাড়েনি। যদিও সেবা রপ্তানিতে তাদের উদ্বৃত্ত আছে।
এক বছর ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় টেকনাফ স্থলবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বড় অংশ দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর নিরাপত্তার কারণে এই বন্দর দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ১০ দিনের মাথায় আজ সোমবার ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে একটি ট্যাংকার। এক সপ্তাহের মধ্যে আসবে আরও চারটি। এসব ট্যাংকারে ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন ডিজেল রয়েছে। এশিয়ার দেশগুলো থেকে এসব পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো পণ্য যাচ্ছে না। আটকা পড়েছে সহস্রাধিক কনটেইনার। আমদানি-রপ্তানিতে অচলাবস্থা।
বাংলাদেশ থেকে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এয়ারলাইনস বা বিমান সংস্থার আন্তর্জাতিক কার্গো পরিবহনের মাধ্যমে পণ্য আমদানি–রপ্তানি করা হয়।
আমদানি করা কাঁচামাল ও পণ্য চার দিনের মধ্যে যাতে শুল্কায়ন হয়, সে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগের বাসভবনে চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি, মজুত, সরবরাহ এবং মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য এই মতবিনিময় সভা আয়োজন করে এফবিসিসিআই।
চট্টগ্রাম বন্দর পরিস্থিতিডেক: গত শনিবার থেকে বন্দরে কর্মবিরতি চলছে। আজ ও আগামীকাল কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন আন্দোলনকারীরা। তাতে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি–রপ্তানি বাণিজ্য।
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমদানি হয়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে মার্চ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
সেমিনারে বলা হয়, ভেজাল প্রসাধনীর আগ্রাসনে জনস্বাস্থ্য হুমকিতে পড়েছে। তাই প্রসাধনী ও বিউটি পণ্যের আমদানি শুল্ক আরও বাড়াতে হবে।
জিএসপি সুবিধা স্থগিত হওয়ায় ভারত থেকে আমদানি করা প্রায় ৮৭ শতাংশ পণ্যেই বেশি শুল্ক দিতে হবে ইইউর আমদানিকারকদের। জিএসপি সুবিধা বহাল থাকবে মাত্র ১৩ শতাংশ পণ্যে।