
টিকতে চায় ইরান, বাড়বে তেল সংকট
টিকতে চায় ইরান, বাড়বে তেল সংকট

টিকতে চায় ইরান, বাড়বে তেল সংকট

জ্বালানিসংকটের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে বাধ্য করাই এখন তেহরানের প্রধান চাল।

১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল

ট্রাম্পকে ইরান সংকট সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছেন পুতিন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আতঙ্কিত নন তেহরানবাসী। তাঁরা এই যুদ্ধকে জীবনের যুদ্ধ মনে করছেন। অন্যায় এই হামলার সমুচিত জবাব দিতে চান তাঁরা।

‘সম্প্রীতির নববর্ষ’—এই স্লোগান সামনে রেখে আগামী ১১ এপ্রিল নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলা বর্ষবরণের মহাউৎসব

গত কয়েক দিনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই যুদ্ধ কতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অসম্মানজনক এবং উন্মত্ততার সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধে ভারত পক্ষ নিয়েছে ইসরায়েলের, ইরানের টর্পেডো ডুবিয়ে দেওয়া নিয়ে রয়েছে নিশ্চুপ, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার কোনো প্রতিক্রিয়াও জানায়নি।

ওয়াশিংটন যখন ইরানের বিরুদ্ধে লড়তে শত শত কোটি ডলার ঢালছে, তখন বেইজিং নিঃশব্দে এমন একটি নথি প্রকাশ করেছে, যা আগামী কয়েক দশকের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।

ট্রাম্প গতকাল সোমবার এক অস্পষ্ট ও সাংঘর্ষিক পূর্বাভাস দিয়েছেন।

ইরানের মিনাব শহরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা অস্বীকার করেই যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাষ্ট্রই যে দায়ী, নতুন নতুন ভিডিওতে তার প্রমাণ বেরিয়ে আসছে।

হাবার্ড রান্নাঘরে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন, তাতেই ধরা পড়ে অপরাধী। সে আর কেউ নয়, একটি রাকুন।