
খুলনায় নারী ভোটার বেশি, প্রার্থী মাত্র একজন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন মাত্র একজন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন মাত্র একজন।

ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে রিট করেছেন একই আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।

ফেনী-২ (সদর) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মঞ্জু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিদিন যাচ্ছেননির্বাচনী এলাকায়। হাটবাজার, অলিগলিসহ প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের কাছে ঈগল প্রতীকে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (কাপ-পিরিচ)। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য–বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

মোট প্রার্থীর মধ্যে নারী ৪ শতাংশের কম। দলীয় ৬১ আর স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৭ জন। হিজড়া প্রার্থী ১ জন।

গত ২১ জানুয়ারি গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি জনগণের শান্তি, স্বস্তি, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের ২৫ দফার ইশতেহার প্রকাশ করে। এতে জাতি-ধর্ম-লিঙ্গ-বিশ্বাস-শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে মানুষের জীবনের শান্তি-স্বস্তি–নিরাপত্তার সংকটগুলোকে চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ প্রস্তাব করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা নিয়ে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা ততই বাড়ছে।

ধানের শীষের ভোট দুই দিকেই আছে। নজর এখন নৌকার সমর্থকেরা কোন দিকে যাবে।

ময়মনসিংহে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ছাত্রদলের ১৫ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল রোববার জেলা উত্তর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।

সানজিদা ইসলাম, তাসনিম জারা, রুমিন ফারহানা, মনীষা চক্রবর্তী, সাবিরা সুলতানা ও জুঁই চাকমাসহ আরও অনেক নারী প্রার্থী ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন দিন-রাত।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।

রোববার কক্সবাজারের মহেশখালী পৌরসভা এলাকায় গণসংযোগকালে হামিদুর রহমান আযাদ এ মন্তব্য করেন।