
যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশের যৌথ বিবৃতি, যা থাকছে চুক্তিতে
নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য বিনা শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢুকতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রে এই সুবিধা দেওয়া হবে।

নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য বিনা শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢুকতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রে এই সুবিধা দেওয়া হবে।

৬ ফেব্রুয়ারিতে টোকিওতে এই চুক্তি সই হয়। ১ হাজার ২৭২ পৃষ্ঠার এ চুক্তিতে ২২টি অধ্যায় রয়েছে। ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে জাপান।

যুক্তরাষ্ট্র যে ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত বা শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।

বিনা শুল্কে সর্বোচ্চ ৮ ভরি ১০ আনার ১২টি সোনার গয়না এবং শুল্ক দিয়ে বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলার একটি সোনার বার আনা যাবে।

বিনিময়ে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য নিজ দেশের বাজারে প্রবেশের পথে ভারত বাণিজ্য–বাধা হ্রাস করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘গোপন’ চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন–উদ্বেগ

ভোটের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি গভীর দুর্বলতা সামনে এনে দিয়েছে।

ইইউর বাজারে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন পণ্যে ভারত শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশ—উপহারের ওপর ১ শতাংশ কর বসানো; ১০ লাখ পর্যন্ত আবগারি শুল্ক মওকুফ; ফেসবুকে ব্যবসাকে করের আওতায় আনা।

ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কের কারণে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার আরও কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা, শুল্কনীতি ঘিরে অনিশ্চয়তা, নীতিনির্ধারণে অস্থিরতা—এসব নানা কারণেই ডলারের দাম কমছে।