
আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৪৩ জন
ইসি জানিয়েছে, আজ ১১২ আপিল আবেদন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। এর মধ্যে ৪৫টি মঞ্জুর (২টি মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে) হয়েছে।

ইসি জানিয়েছে, আজ ১১২ আপিল আবেদন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। এর মধ্যে ৪৫টি মঞ্জুর (২টি মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে) হয়েছে।

আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা ২৭০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বাবার প্রতিষ্ঠিত দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করা সৈয়দ এহসানুল হুদা। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া শেখ মজিবুর রহমান ও হাসনাত কাইয়ুম প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে কোথাও দলীয় বিভেদ সামলে ঐক্যের বার্তা, কোথাও প্রার্থিতা বাতিল ও আপিল ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী।

ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া দলীয় নেতাদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি করাতে আলোচনা চালাচ্ছে বিএনপি। ব্যর্থ হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মোট ৬৪৫টি আপিল হয়েছে।

এইবারের নির্বাচনের মনোনয়নের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা দেখে যা বুঝেছি, পুরোনো রাজনীতিবিদদের হলফনামা খুব বোরিং। বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিংবা এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ অনেকবার নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেই একই হলফনামা। তবে এখন যাঁরা নতুন বা তরুণ নেতা, তাঁদের হলফনামায় চমক আছে।