পে স্কেল বনাম দুর্নীতি: মকছেদ সাহেবের দেখা সেই সকালটি আসলে কার গল্প?
মকছেদ সাহেব জমির খাজনা দিতে অফিসে গেলেন। আড়াই শ টাকার খাজনা জমা দিতে তিনি এক হাজার টাকার একটি নোট এগিয়ে দিলেন। খাজনা গ্রহণকারী আড়াই শ টাকা রেখে বাকি টাকা ফেরত দিয়ে দিলেন।
মকছেদ সাহেব জমির খাজনা দিতে অফিসে গেলেন। আড়াই শ টাকার খাজনা জমা দিতে তিনি এক হাজার টাকার একটি নোট এগিয়ে দিলেন। খাজনা গ্রহণকারী আড়াই শ টাকা রেখে বাকি টাকা ফেরত দিয়ে দিলেন।
বিজিবিতে ১৪ থেকে ২০ গ্রেডের অসামরিক পদে ১৭৪টি শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার এইচএসসি পরীক্ষা ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে। প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত মাসিক পেনশনের ব্যবস্থা নেই।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যখন নতুন পে স্কেল, ভাতা ও নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে রাষ্ট্র এতটা সচেতন, তখন দেশের বিশাল বেসরকারি চাকরিজীবী জনগোষ্ঠীর জন্য কী করা হচ্ছে?
রাজধানীর মহাখালীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেছেন।
মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন ঈদে বাড়িমুখী মানুষ।
১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন শুরু
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভা ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতি ও নারী নির্যাতনের তদন্তে দুটি কমিশন গঠিত হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। মালদ্বীপে দক্ষ শিক্ষকের হার প্রায় শতভাগের কাছাকাছি। নেপাল ও ভুটান ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাবান্ধব নীতির কারণে ভালো অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে এই হার উদ্বেগজনকভাবে কম।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা বোর্ডের একই সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদানসহ শিক্ষার যাবতীয় কর্মকাণ্ড সম্পাদন করেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মতো সুবিধা ভোগ করতে পারেন না। আবার বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে এমপিও–নীতির নামে এই বৈষম্য শিক্ষার প্রতি সরকারের নিষ্ঠুর উদাসীনতারই সাক্ষ্য দেয়। জানি না, এমন পৃথিবীর আর কোনো দেশে হয় কি না!
নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও পরের ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে।