
ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো ইরানের ‘ড্যান্সিং ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা
ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো ইরানের ‘ড্যান্সিং ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা

ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো ইরানের ‘ড্যান্সিং ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা

ইরানের তৈরি সেজিল-২ ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।

ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে।

পছন্দ-অপছন্দের এই সমীকরণে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও দাপট বেশি ইসরায়েলের। তারা চায় মুসলমানপ্রধান কোনো দেশের হাতে পারমাণবিক প্রযুক্তি না থাকুক।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মূলত ইসরায়েলের প্রতি অপরিসীম আনুগত্যের জায়গা থেকে হেগসেথ প্রায়ই ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে থাকেন।

মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করেছে।

নিন্দা জানানো আটটি মুসলিম দেশ হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ইরানকে কয়েক দিনের যুদ্ধে পরাভূত করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে, এখন ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরানের জনগণকে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।