চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, বন্ধ হচ্ছে যুদ্ধ
যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বিশ্লেষক ম্যাডিসন কার্টরাইট সতর্ক করেছেন, ট্রাম্প একতরফাভাবে ইরান যুদ্ধ থেকে সরতে পারবেন না। স্থায়ী চুক্তিতে ইসরায়েল ও ইরান উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত অন্তত জুন পর্যন্ত চলতে পারে।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
অতীতেও বিভিন্ন সময় মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে উত্তেজনার সময় অঞ্চলটিতে বাড়তি বাহিনী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।
সৌদি আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ হওয়াই এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুরুর পূর্বশর্ত বলে মনে করছে পাকিস্তান, যা দেশটির মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের পর ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামনে চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্পের সামনে এখন খুব বেশি বিকল্প খোলা নেই। যেসব পথ খোলা আছে, তার প্রায় সবই ঝুঁকিপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর এক মাসের বেশি সময় পর স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধে জয়লাভ করছে।
চীনের নিজেদের শক্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা রাখা ঠিক হবে না। দেশটির উচিত, নিজেদের অভিজ্ঞতার অভাবকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া এবং এই সংঘাতের ফলাফলকে ছোট করে না দেখা।
আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পর ইসরায়েলে হতাশা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।