
জামায়াত আসলে জিতেছে, না হেরেছে
বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলো। বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা আর কয়েকটি দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনাকে বাদ দিলে সামগ্রিক চিত্র তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ।

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলো। বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা আর কয়েকটি দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনাকে বাদ দিলে সামগ্রিক চিত্র তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ।

জনগণের একটি অংশ বিশ্বাস করে যে বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সক্ষম। এই আস্থার পেছনে রয়েছে অতীত অভিজ্ঞতা।

গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট।

জানুয়ারি মাসে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম।

একটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। স্বতন্ত্র পরিচয়ে তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন।

চট্টগ্রামে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে নতুন মুখের জয়ই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েই পাঁচজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপির ও একজন জামায়াতে ইসলামীর। ভোটাররা বলছেন, স্থানীয় বাস্তবতা ও সম্ভাবনা বিবেচনা করেই অনেকেই এই প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গণভোটে চারটিতে ‘হ্যাঁ’ এবং একটি আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।

তাঁরা বিশ্বাস করেন, জনগণের যে আস্থা–ভালোবাসা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন।

নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চার ভিত্তি রচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

ঢাকার কোন আসনে কারা জয়ী