
গ্রাম সরকার যে কারণে ছিল জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী ভাবনা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠন ও প্রশাসনিক বিকাশের ইতিহাসে গ্রামীণ সমাজকে নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং অংশগ্রহণমূলক কাঠামোর মধ্যে আনার প্রশ্নটি সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠন ও প্রশাসনিক বিকাশের ইতিহাসে গ্রামীণ সমাজকে নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং অংশগ্রহণমূলক কাঠামোর মধ্যে আনার প্রশ্নটি সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

কুর্দিরা পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ জাতিগোষ্ঠী, যাদের এখনো নিজস্ব কোনো রাষ্ট্র নেই। বিশ্বজুড়ে তাদের সংখ্যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি। তাদের বেশির ভাগই বাস করে আর্মেনিয়া, ইরাক, ইরান, সিরিয়া ও তুরস্কের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত পাহাড়ি অঞ্চলে।

জননিরাপত্তা ও জনসম্পদ রক্ষায় পুলিশ অপরিহার্য বাহিনী। বর্তমানে পুলিশবিহীন রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না।

এই দিনে মদিনা রাষ্ট্র রোমানদের হুমকির মুখে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিল, অন্যদিকে সজাগ হয়েছে আন্দালুসের সীমান্ত এবং যাত্রা শুরু করেছে সেলজুক সাম্রাজ্য।

পরিবার থেকে সমাজ, সমাজ থেকে রাষ্ট্র সর্বত্র আধিপত্যবাদের সংস্কৃতি। এমন সংস্কৃতিতে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা সহজ কাজ নয়। তবু মফস্সল থেকে রাজধানী অবধি কিছু মানুষ প্রশ্ন করার জন্য দাঁড়িয়ে যান। কখনো কখনো ফলাফলটি নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে।

১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। দীর্ঘদিনের তীব্র রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, রাজপথকেন্দ্রিক আন্দোলন এবং প্রাতিষ্ঠানিক টানাপোড়েনের পর এই ক্ষমতার পরিবর্তন কেবল সরকার বদলের ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক সন্ধিক্ষণ।

আইনের শাসন মেনে রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এবারের নির্বাচনের ফলাফল দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে দুই আঞ্চলিক প্রভাবশালী রাষ্ট্র চীন ও ভারতের ভূমিকার ওপর প্রভাব ফেলবে।

শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বহুল আলোচিত অভিযোগ ছিল, রাষ্ট্র পরিচালনায় চরম অস্বচ্ছতা, কমিশননির্ভর দুর্নীতি এবং জনস্বার্থ উপেক্ষা করে একের পর এক মেগা প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণই হবে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রয়োজন লোকপ্রশাসন। প্রশাসন পরিচালনার জন্য প্রয়োজন জনপ্রতিনিধি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা রাজনীতিতে রাজার ছেলে রাজা হবে—এই ধারা পাল্টে দেব ইনশা আল্লাহ। একজন শ্রমিক ভাই কিংবা বোনের সন্তান মেধাবী হলে তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র।’