হরমুজ সংকট: ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ, মন্দার ভয়
হরমুজ সংকট: ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ, মন্দার ভয়
হরমুজ সংকট: ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ, মন্দার ভয়
কাতার ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার কথা ভাবছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে।
ছুটির দিনেও ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন
বিশ্লেষকেরা বলছেন, একদিকে তেলের দাম বাড়তি, আরেক দিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির সমাধান দেখা যাচ্ছে না; এই পরিস্থিতিতে ডলারের পালে যে হাওয়া লেগেছে, তা আগের মতোই থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলে তেলের দামে প্রভাব পড়ে। ইতিমধ্যে চলতি বছর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে পরিবহন খরচ বাড়ছে, তার ঢেউ লাগছে নিত্যপণ্যের দামে। সামনে আরও দাম বৃদ্ধির শঙ্কা আছে। তাই এখনই খরচ নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকস্মিক বাড়লেও এখনই নিজেদের সংরক্ষিত জরুরি মজুত বাজারে না ছাড়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিল্পোন্নত সাত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স।
দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি সংকটের মধ্যেও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ। তেল আমদানি কমানো, মজুত থেকে ছাড়, রপ্তানি সীমিত করা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা নিয়ন্ত্রণ—এসব কৌশল বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে বলে বলা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনে আগামী মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করা হবে। দেশে সব ধরনের জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সেচ মৌসুমে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।