
ট্রাম্পের সঙ্গে কেন সি চিন পিংয়ের চুক্তির কোনো প্রয়োজন নেই
যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।

বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিন পিংয়ের রাষ্ট্রীয় ভোজে হুয়াইয়াং রান্নার পাশাপাশি ট্রাম্পের প্রিয় স্টেক ও তিরামিসু ছিল। চীন কূটনীতিতে খাবারকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে। এই ঐতিহ্যবাহী রন্ধনশৈলী বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়।

চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফর করেছেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। চীন তাঁকে নতুন চীনা নাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনা এখন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

বেইজিংয়ের ৬০০ বছরের টেম্পল অব হেভেনে ঘুরে দেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিন পিং। আগে গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ হয়েছে তাঁদের বৈঠক। সাংবাদিকদের প্রশ্নে ট্রাম্প বলেছেন বৈঠক ‘দারুণ’ হয়েছে।

বেইজিংয়ে আজ চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ঐতিহাসিক সফরে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক হয়েছে ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’–এ।

বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠতে পারে। ট্রাম্প বাণিজ্য নেতাদের সঙ্গে চীনে গেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।

ইরান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় আটকে থাকা সামনে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য ছাড়াও সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনকে তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বলতে পারেন ট্রাম্প।

ইউরোপের নেতারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের নির্ভরশীলতা কমে আসার লক্ষণ। ইরান, ইউক্রেন ও বাণিজ্য নিয়ে দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপ। এটি একটি বৃহত্তর পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।

ইরান যুদ্ধে নিজের অদূরদর্শিতার ফলে ফাঁদে আটকে পড়েছেন ট্রাম্প। ইরানের তরুণ প্রজন্ম শাসকদের মৌলবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অর্থনৈতিক সংকটে জনক্ষোভ তুঙ্গে। ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।