সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে বিতর্ক কেন
খোদ সংবিধান নিয়েই যদি মানুষের অসন্তোষ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের বৈধতা কোথা থেকে আসবে?
খোদ সংবিধান নিয়েই যদি মানুষের অসন্তোষ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের বৈধতা কোথা থেকে আসবে?
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে নতুন করে উত্তাপ
‘রাষ্ট্রপতিকে যেন বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া না হয়’
সংসদ অধিবেশনের শুরু থেকেই উত্তাপের আভাস
বেলা ১১টায় শুরু হবে অধিবেশন। শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন। থাকবে শোকপ্রস্তাব ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ।
আগামীকাল ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন সামনে রেখে আজ বুধবার জামায়াতসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বৈঠক হয়।
ফলাফল প্রকাশের ১৩ দিন পর গণভোটের ফলাফল সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অতি উৎসাহী হয়ে ডজন ডজন অধ্যাদেশ জারি করেছিল। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি দেড় দিনের কম সময়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো প্রথম জটিলতা। বিএনপি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে এ ধরনের শপথের উল্লেখ নেই।.
রাষ্ট্রপতির কোনো আদেশ যদি তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত শপথের বাইরে নতুন কোনো শপথ গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়াবে।
গণভোটে সমর্থন পাওয়া মানেই প্রতিটি প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যাবে, এমন নয়। বিশেষ করে যখন প্রস্তাবগুলো বহুবিধ এবং জটিল। সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
বিএনপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। শপথ না নেওয়ার মাধ্যমে জটিলতা তৈরি হলো।