
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নতুন দেশে গেলে কি বাংলাদেশি কমিউনিটিতেই থাকা উচিত
নতুন দেশে গেলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই পরিচিত মানুষ, খাবার, পরিবেশ খুঁজি। এটা আমাদের ‘কমফোর্ট জোন’। কিন্তু একটা জিনিস জরুরি—‘কমফোর্ট’ আর ‘সেফটি’ এক নয়।

নতুন দেশে গেলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই পরিচিত মানুষ, খাবার, পরিবেশ খুঁজি। এটা আমাদের ‘কমফোর্ট জোন’। কিন্তু একটা জিনিস জরুরি—‘কমফোর্ট’ আর ‘সেফটি’ এক নয়।

পরীক্ষায় অসদুপায় ও নকল বন্ধসহ শিক্ষা কারিকুলামে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ।

অনেকেই মক্কায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ওমরাহর জন্য এতই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি বা বিশ্রামের কথা ভুলে যান। এর প্রয়োজন নেই।

আমাদের সমাজে দাওয়াত, বিয়ে কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়। হোটেল-রেস্তোরাঁতেও একই চিত্র দেখা যায়। এ অপচয় আল্লাহর অমূল্য নেয়ামতের অবমূল্যায়নের শামিল।

অন্যকে দোষ দেওয়ার আগে নিজের সীমাবদ্ধতা বা মানসিক চাপের জায়গাগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। এটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় আমাদের নিজস্ব ক্লান্তি বা

সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’

আমরা এমন একজন সাবেক খনি শ্রমিকের কথা বলছি যিনি তার পুরো জীবন কাজ এবং ফুটবলের পেছনে উৎসর্গ করেছেন।

প্রথম নির্বাচনের সময় হিলারি ক্লিনটনের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে তিনি অস্ত্রধারীদের উসকে দিয়েছিলেন।

আমাদের ডিরেক্টরদের মেজর প্রবলেম হচ্ছে তারা যে আর্টিস্টের সঙ্গে একবার কাজ করে, মূলত তাদেকেই বারবার কাস্টিং করে।

২০০৫ সালের কথা। ছোট্ট চাকরি করি। ইনক্রিমেন্ট হলো। কাউকে না জানিয়ে সব টাকা দিয়ে মাকে একটা শাড়ি কিনে দিয়েছিলাম। এ কথা আজও আমি ছাড়া আর কেউ জানে না। মনে হয়, সন্তানের জীবনে কিছু মুহূর্ত থাকে, যা নীরব থাকলেই পূর্ণ হয়।

গত ২০ মাসে রাউজানে ২২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ১৬টি রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে। এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়; বরং ট্রমায় কবলিত হওয়া কিছু পরিবারের সদস্যের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর হাহাকার তুলে ধরে। আর মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আতঙ্কের কথাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়। সর্বশেষ বিএনপির কর্মী কাউসারুজ্জামানের নির্মম হত্যাকাণ্ড আবারও সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে—রাউজান কি ধীরে ধীরে সহিংসতার এক স্থায়ী ভূখণ্ডে পরিণত হচ্ছে?

আমাদের দেশে একসময় শিল্পী ও সৃজনশীলতাকে আলাদা চোখে দেখা হতো। ‘একসময়’ এবং ‘হতো’ শব্দ দুটো উচ্চারণ করতে হলো দুঃখের সঙ্গে। যা ছিল, তা নেই হয়ে যাওয়া কম দুঃখের নয়।