যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আবার হামলা করলে যেভাবে পাল্টা আঘাত হানতে পারে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
সময় ফুরিয়ে আসছে: ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়ায় ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।
ইসরায়েল গাজায় হামাসের সামরিক প্রধানকে হত্যার দাবি করেছে। হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।
সৌদি আরব ইরানের পাল্টা হামলার জবাবে গোপনে একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে রয়টার্সের বিশেষ প্রতিবেদন বের হয়েছে।
ইসলামাবাদে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত নিরসনে আলোচনা শুরু হতে পারে। মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় দুই পক্ষ এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে কাজ করছে, যাতে পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত। তবে কয়েকটি বড় বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
ইরানের সঙ্গে এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক সইয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পারমাণবিক ইস্যুতে কতটা ছাড় দেওয়া যাবে, তা নিয়ে ইরানেই মতভেদ তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রোস্টেট ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছেন।
ট্রাম্প কেন যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ালেন