জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা, ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি
গতকাল একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে।
গতকাল একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।
গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।
শনিবার ইরাকে মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)
ওমান উপসাগরে মার্কিন হামলায় নিহত ভারতীয় নাবিকদের পরিবারগুলো শোকে ভাসছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে।
হামলা থামাতে ইরানকে বিশাল অঙ্কের তহবিল দিচ্ছে আরব আমিরাত।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা আরও তীব্র হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইরানের মাহশাহর এলাকায় কৃষি পানি পাম্পিং স্টেশনে হামলায় একজন নিহত ও চারজন আহত হওয়ার তথ্যও এসেছে।
ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান ট্রাম্পের।
শুক্রবার গভীর রাতে হামলা চালিয়ে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী ফ্লোরেসকে আটক করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই ওয়াশিংটনের আনুমানিক খরচ হয়েছে ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার।