ইরানকে হুমকি দিয়েই চলছে যুক্তরাষ্ট্র, কী পদক্ষেপের কথা ভাবছেন ট্রাম্প
গত কয়েক দিনে ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
গত কয়েক দিনে ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ট্রাম্প কখনো সমঝোতার কথা বলছেন, আবার কখনো ইরানকে ধ্বংস করার কথা বলছেন। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে না, যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী চাইছে।
যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা পারেননি; বরং এখন হরমুজ খুলতে পেরে তাঁকে খুশি থাকতে হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা ও শীর্ষ নেতৃত্ব হারিয়েছে এবং মোজতবা আলী খামেনি ৯০ শতাংশ ‘শেষ’ হয়ে গেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খারগ দ্বীপসহ দেশটির অন্যান্য তেল অবকাঠামো দখল করবে।
কারাজের নির্মাণাধীন বি ওয়ান সেতুতে হামলায় ৮ জন নিহত ও ৯৫ জন আহত হয়েছেন। ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করে বলেছেন, ‘সামনে আরও অনেক কিছু ঘটবে’। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এতে শত্রুর পরাজয়ের ইঙ্গিত দেখছেন।
দুই দেশ চুক্তির ‘দ্বিতীয় ধাপের’ দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন তাঁর এই দাবিকে সমর্থন করে না।
ট্রাম্পের নীতিতে বিভক্ত ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানরা।
গত মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাটকীয় হুমকির পর ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহ সময় নেয়। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো ব্যর্থতার ছায়ায় হরমুজ প্রণালির কৌশল ইরানকে শক্তিশালী করেছে। ট্রাম্পের সামনে কোনো সহজ পথ নেই।
ইসরায়েল সচরাচর এ ধরনের হামলা চালালেও প্রথাগত দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এমন হামলা চালানো খুব স্বাভাবিক নয়।
ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন