প্রশ্ন নম্বর ৮, শব্দ মিলিয়ে Rearrange লেখো
পরীক্ষা এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আজ ইংরেজির ৮ নম্বর প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ Rearrange গুলো দেওয়া হলো।
পরীক্ষা এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আজ ইংরেজির ৮ নম্বর প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ Rearrange গুলো দেওয়া হলো।
প্রিয় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী, তোমাদের পরীক্ষা এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আজ ইংরেজির ৮ নম্বর প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ Rearrange গুলো দেওয়া হলো।
প্রিয় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী, তোমাদের পরীক্ষা এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আজ ইংরেজির ৮ নম্বর প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ Rearrange গুলো দেওয়া হলো।
১৯৯৫ সালের ৫ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ শহরে আমাদের সন্তান ত্বকীর জন্ম। তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। এখানেই বেড়ে ওঠা। ত্বকীর জন্মের সময় আমিও কবি সুকান্তর মতো এ বিশ্বকে সব শিশুর বাসযোগ্য করে তোলার প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। ত্বকীকে পেয়ে আমাদের দিনগুলি ছিল হিরণ্ময়, লাল-নীল ঘুড়ির মতো আকাশে ওড়া বর্ণিল উচ্ছল এক অনাবিল আনন্দের। ত্বকী আস্তে আস্তে হাঁটতে শিখল। স্কুলে গেল, গান গাইতে শিখল, ছবি আঁকল, বাংলা-ইংরেজিতে কবিতা-গল্প লিখতে শুরু করল।
মিরপুর মনিপুর স্কুল ও কলেজের ইংরেজির শিক্ষক কবি আয়শা জাহান নুপূর বললেন, ‘লেখক হিসেবে বলব মেলায় এই পরিবেশ প্রকাশকদের জন্য বেশ কঠিন।
বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।
স্কুলভীতির জন্য বাংলা ইংরেজিতে যে শব্দটা ব্যবহৃত হয়—স্কুল রিফিউজাল—এটাকে কোনো রকম রোগ বা ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। কিন্তু এটি এমন একটি গুরুতর পরিস্থিতি, যেখানে আমাদের মেন্টাল হেলথ ইন্টারভেনশন দরকার।
বিশ্বের বড় ভাষাগুলোও ইংরেজির প্রভাব অস্বীকার করতে পারেনি। ইংরেজিকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে লাভ নেই; প্রয়োজন বাংলাকে প্রযুক্তিসক্ষম করা।
ইংরেজিতে একটি বহু পুরোনো প্রবাদ আছে, ‘সে ইট উইথ সামথিং সুইট।’ অর্থাৎ মনের গহিন কথাটি যখন বলবেন, সঙ্গে থাকুক মিষ্টি কিছু।
ইন্দোনেশীয় পরিবারটিও বেশ চমৎকার মা, বাবা, দুই ছেলে আর এক মেয়ে। ট্যুর গাইড সংক্ষেপে ইংরেজিতে বর্ণনা করল আজ আমরা কী করতে যাচ্ছি।
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।
খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।