
থাইল্যান্ডে নির্বাচন আজ: সংস্কারপন্থী বিরোধী দল কি ক্ষমতাসীনদের চক্র ভাঙতে পারবে
আজ রোববারের সাধারণ নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের ব্যাপক জনসমর্থন অনেকের মনেই আশার সঞ্চার করেছে।

আজ রোববারের সাধারণ নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের ব্যাপক জনসমর্থন অনেকের মনেই আশার সঞ্চার করেছে।

আজ শুক্রবার সকালে ঢাকার সাভারের শাহীবাগ এলাকায় মাতৃবাগান জামে মসজিদ–সংলগ্ন মাঠে ১১–দলীয় জোটের এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম।

টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউটের ‘হাইজ্যাকিং দ্য ভোট: ইনসাইড বাংলাদেশ’স ডেটা–ড্রাইভেন ইলেকশন ম্যানিপুলেশন’ শীর্ষক নীতি প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আজ বৃহস্পতিবার নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।

মাউশির বিভাজন মানে কেবল একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস নয়, এর সঙ্গে নীতিনির্ধারণ, জনবল ব্যবস্থাপনা, বাজেট–কাঠামো, প্রশাসনিক ক্ষমতার বণ্টন এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে মৌলিক পরিবর্তন যুক্ত।

কৌতূহলবশত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন বিএনপি বা জামায়াত) ইশতেহার বা ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখলাম শিক্ষা নিয়ে তাদের কী পরিকল্পনা। হতাশাজনকভাবে, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট বা যুগোপযোগী কোনো পরিকল্পনা চোখে পড়ল না।

অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর দায়িত্বে থেকে অর্থনীতিকে সন্তোষজনক জায়গায় রেখে যাওয়ার দাবি করেন সালেহউদ্দিন আহমেদ।

গত এক যুগের বেশি সময়ে রাজনীতি ও সমাজে নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জন করেছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

শিক্ষার পরিচালনায় বিকেন্দ্রীকরণ দরকার। শিক্ষকদের মর্যাদা বাড়াতে হবে, সমতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাধীনভাবে করা শিক্ষাগত মূল্যায়ন দেখিয়েছে, পরীক্ষার নম্বর আর শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতার মধ্যে ফারাক ক্রমেই বাড়ছে। ফলে নম্বর বা গ্রেড শিক্ষাব্যবস্থাকে ভুল বার্তা দিচ্ছে এবং প্রকৃত অবস্থাটা আড়াল হয়ে যাচ্ছে।

আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর সমালোচনা করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘আমলারা বাংলাদেশে প্রকৃতিগতভাবে সংস্কারবিরোধী।’

বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।

নির্বাচনের পরে আমলাতন্ত্র তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংস্কারের প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে পারে।