হোটেলে গুলির ঘটনায় ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এক দশক পর সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই এখন বিদেশে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।
ইরানের অনুরোধে হুতিরা দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে লোহিত সাগর ও বাব আল–মানদেব প্রণালিতে মার্কিন রণতরির চলাচল ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বড় অভিযানকে মন্থর করাই তাদের লক্ষ্য। এছাড়া সৌদি পাইপলাইন নিয়ে নতুন সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।
ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স নামের একটি গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করেছে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ভেনেজুয়েলায় হামলার তীব্র নিন্দা রাশিয়া ও চীনের।
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের হামলা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলেছেন, যখন ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করানোর কৃতিত্ব নিয়েছে। ‘আমরা ৩৮ দিনের মধ্যে আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি।’
ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে গতকাল বৃহস্পতিবার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। অন্যদিকে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা নতুন এ হামলায় তাঁদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।
ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন সামরিক বাহিনী যখন টানা নবম রাতের মতো বিধ্বংসী বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই তেহরানের সঙ্গে সংকট নিরসনে ওয়াশিংটন কূটনীতির পথ খোলা রেখেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (১৯ জুলাই) দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
ইরাক চেষ্টা করছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে।