পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, ভোট হবে দুই দফায়
পশ্চিমবঙ্গে এখন ভোটারসংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লাখ।
পশ্চিমবঙ্গে এখন ভোটারসংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লাখ।
তৃণমূলকে হটানো ও সরকার গঠনের জন্য বিজেপি আজ এই রাজ্যের পাঁচ প্রান্ত থেকে শুরু করছে এক ‘পরিবর্তন যাত্রার’।
মাত্র আট মাস পরই ভোটাররা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ওপর তাঁদের রায় দেবেন।
টাঙ্গাইলে ‘আওয়ামী লীগের ভোটারদের’ ভোট পাওয়া নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। জেলার পাঁচটি আসনে দ্বিতীয় ও তিনটিতে তৃতীয় অবস্থানে জামায়াত।
খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। তবে নতুন মন্ত্রিসভায় খুলনার কারও জায়গা হয়নি। এতে দলীয় নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ (সদর) আসনে পরাজিত হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হোছনেয়ারা বেগম মাইকিং করে এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
নগরের দরবেশীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি ভোটকেন্দ্রের একটিতে ৪০৭ জন ভোট দেন। আনুপাতিক হিসাবে এটি ওই কেন্দ্রের মোট ভোটারের ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যারা এর আগের কোনো জাতীয় নির্বাচনে ১৭টির বেশি আসন পায়নি, তারা এবার জোট বেঁধে ৭৭টি আসন দখল করেছে।
প্রধান দুই রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে এবার জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনের ভোটাররা দিয়েছেন ভিন্ন রায়। স্বাধীনতার পর প্রথমবার জেলার কোনো
নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে ভোটাররা বেশি আস্থা রেখেছেন।
নির্বাচনের দিন ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলার অভিযোগে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে।
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলো। ভোটাররা অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা অনেকে অনুভব করলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।