ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন উগ্রমেজাজি ট্রাম্প
কূটনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশৃঙ্খল আচরণের বিপরীতে তেহরানকে শান্ত ও কৌশলগতভাবে এগোতে হবে, এটি তেহরান বিশ্বাস করে।
কূটনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশৃঙ্খল আচরণের বিপরীতে তেহরানকে শান্ত ও কৌশলগতভাবে এগোতে হবে, এটি তেহরান বিশ্বাস করে।
এক্স পোস্টে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের এই ‘কৌশল’ আবারও ব্যর্থ হবে।
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।
সাংবাদিকেরা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয় আগেই ধারণা করতে পেরেছিলেন বলে জানান স্ল্যাটারি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের পারমাণবিক মজুত দখলের হুমকি দিয়েছেন, বাহিনী নতুন হামলার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু রাজনৈতিক চাপে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধে ফিরতে দ্বিধায় আছেন। তেলের দাম কমেছে, শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী।
১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ শুরু করে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ গতকাল শনিবার বিক্ষোভ দমনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় বসতে ইরানের কোনো সমস্যা নেই। তবে হুমকির ছায়াতলে কোনো আলোচনা হতে পারে না।’ মেটা– যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ন্যায়সংগত ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনায় ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তেহরান এখন সংঘাতের আওতা বাড়িয়ে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।
ইরানের নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আপাতত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রেখে যুদ্ধ বন্ধ করা হোক এবং পারস্য উপসাগরে নৌ-চলাচলসংক্রান্ত বিরোধ মেটানো হোক।