তাপসী রানী অস্থিমজ্জার বিরল রোগে আক্রান্ত
জয়া রানী জানান, জমি বিক্রি ও বন্ধকের অর্থে এবং আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় এ পর্যন্ত ৩২ লাখ টাকা তাঁর মায়ের চিকিৎসায় খরচ হয়ে গেছে। মূল চিকিৎসা শেষ হলেও তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন।
জয়া রানী জানান, জমি বিক্রি ও বন্ধকের অর্থে এবং আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় এ পর্যন্ত ৩২ লাখ টাকা তাঁর মায়ের চিকিৎসায় খরচ হয়ে গেছে। মূল চিকিৎসা শেষ হলেও তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন।
সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকায় জমি–ফ্ল্যাটের বণ্টননামা, দলিল নিবন্ধন এবং নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছিল। অর্থবিলে সংশোধনী এনে এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের মতে, স্বপ্রণোদিত হয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ দিয়ে জমি বা প্লট কেনার এই সুযোগ অর্থনীতিতে তারল্যপ্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একটি জমি নিয়ে বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক সংকটে পড়েছেন ইউসুফ পাঠান।
রাজশাহীর তানোরে বৃষ্টির আগেই ধান বাঁচাতে মাঠে ছুটে বেড়ান কল্পনা খালকো ও তাঁর ১০ বছরের মেয়ে। অসুস্থ স্বামী, ইজারা নেওয়া জমি আর অভাবের সংসার—সব প্রতিকূলতার মধ্যেও মা-মেয়ের এই সংগ্রাম গ্রামীণ জীবনের এক বাস্তব চিত্র।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় নিজের কেনা জমি বুঝে নিতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক প্রবাসফেরত ব্যক্তি।
বিআইজিডি পরিচালিত দুর্দিনের ডায়েরি এবং ডেটা অ্যান্ড এভিডেন্স টু অ্যান্ড এক্সট্রিম পভার্টি নামক গবেষণায় উঠে এসেছে, গ্রামের ক্ষুদ্র চাষি, যাঁর নিজের আবাদি জমি নেই কিংবা নদীর ভাঙনে সব তলিয়ে গেছে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাড়িঘর হারিয়েছেন, এই সব জনগোষ্ঠী শহরমুখী হন কাজের সন্ধানে। অনেকেই আক্ষেপের স্বরে বলেছেন, তাঁরা ফিরে যেতে চান নিজের গ্রামে কিন্তু কাজের সুযোগ নেই বলে ফিরতে পারছেন না।
সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বণ্টন ও মিউটেশনেও আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
পাঁচজনের সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হতো তাঁকে। আঙুর চাষ তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। মাত্র ২৫ শতাংশ জমি থেকে ১০ লাখ টাকার আঙুর ও চারা বিক্রি করেছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পাশাপাশি দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন, জমি দখল, অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে।
ভোলার চর আলগীতে জমি নিয়ে বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা হলেও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। হুমকির অভিযোগে শঙ্কায় বাদী ও সাক্ষীরা।
রেলের জমি, ঘাট ও উন্নয়নকাজ ঘিরে দখল-চাঁদাবাজি; রাজনৈতিক নেতা, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও প্রশাসনের অসাধু অংশের যোগসাজশের অভিযোগ।