আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন
সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এ মামলার বাকি আট আসামি পলাতক।
সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এ মামলার বাকি আট আসামি পলাতক।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় চট্টগ্রামে মামলা হয়েছে ১৫১টি। গণ-অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর পূর্ণ হলেও এসব মামলার মধ্যে তদন্ত শেষ হয়েছে মাত্র ১৫টির। এর মধ্যে ১২টি মামলায় অভিযোগপত্র এবং ৩টিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। অভিযোগপত্র দেওয়া ১২ মামলার মধ্যে একটি হত্যা মামলা।
রোকেয়া বেগম বলেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারগুলোর প্রধান দাবি হলো প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে সংসদে জানানো।
শহীদ মিনার থেকে এক দফার ঘোষণা কীভাবে এসেছিল, এর পেছনে কার কৃতিত্ব বেশি—এ নিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে নানা বয়ান ওঠে। এবার এক দফা নিয়ে নিজের ভাষ্য তুলে ধরেছেন আবদুল কাদের।
ফ্যাসিবাদকে ‘ভাইরাস’ উল্লেখ করে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই ভাইরাস যাকেই পাবে, তাকে ফ্যাসিবাদী বানিয়ে ছাড়বে।’
সেই দিনগুলো বাংলাদেশের ইতিহাসকে মৌলিকভাবে বদলে দেওয়ার পাশাপাশি একটি প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছিল যে শেষ পর্যন্ত দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে—এমন হুমকি দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। পাশাপাশি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবি তুলে তিনি রাষ্ট্রসংস্কার ও বিচার বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগও করেছেন।
জাতীয় ঘটনার সাক্ষী হওয়ার যদি কোনো ন্যূনতম মানদণ্ড থেকে থাকে, তাহলে আমি বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মতো বিশাল একটা ঘটনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ হারিয়েছি।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেপ্তারকৃত আবদুল্লাহ শিকদারকে কোনাবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
বৈঠকে স্বাধীনতার পর যে কয়বার দায়মুক্তি দিয়ে আইন ও অধ্যাদেশ জারি হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হয়।
রাকিব, মুগ্ধ, নাঈমা, আনাস, আবু সাঈদ, তাইমসহ জুলাই শহীদদের পরিবারের বক্তব্যে উঠে এসেছে ন্যায়বিচার, রায় বাস্তবায়ন এবং মামলার অগ্রগতি নিয়ে হতাশা ও প্রত্যাশার চিত্র।