নতুনদের কাঁধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়
নতুনদের কাঁধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়
নতুনদের কাঁধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়
খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। তবে নতুন মন্ত্রিসভায় খুলনার কারও জায়গা হয়নি। এতে দলীয় নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
কোনো সরকারের আমলে কেউ কাজ করলে তাকে দালাল বলে দেওয়া হবে, তা তো হয় না। শিল্প ও সাহিত্যের সঙ্গে জড়িত সবাইকে সরকারের লালন করতে হবে।
সেই পাকিস্তান আমলেও টেলিভিশন ও বেতারে যে স্বায়ত্তশাসন ছিল, আস্তে আস্তে তা–ও বিলুপ্ত হয়ে গেল। যখন স্বায়ত্তশাসন ছিল, তখন সৃজনশীল অনুষ্ঠান তৈরি হতো
জোনায়েদ সাকির তিন দশকের বেশি সময়ের নিরবচ্ছিন্ন রাজনৈতিক যাত্রা মন্ত্রিসভায় পৌঁছাল। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নতুন সরকারে ঠাঁই করে নিয়েছেন তিনি। এর আগে বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য হন গণসংহতি আন্দোলনের এই নেতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্পষ্ট ও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আন্তরিক অভিনন্দন।
অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের মন্ত্রিত্ব নিশ্চিত ছিল। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে কিছু জল্পনা-কল্পনা ছিল। শেষে দেখা গেল, তাঁকে দুটি মন্ত্রণালয় সামলাতে হবে।
স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম গাজীপুর থেকে মন্ত্রিসভায় কারও স্থান হয়নি। এ নিয়ে হতাশ জেলাবাসী। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।
চার দশক আগে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তার ১৫ বছর পর খালেদা জিয়ার সরকারে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন, এবার তারেক রহমানের সরকারেও মন্ত্রী হলেন তিনি।
বাবা কে এম ওবায়দুর রহমান ছিলেন বিএনপির মহাসচিব, সেই পথ ধরে বিএনপিতে এসে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হলেন শামা ওবায়েদ। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পেলেন তিনি।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যের গড় বয়স প্রায় ৬০ বছর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী হলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তাঁর বয়স ৮১ বছর। সবচেয়ে কম বয়সী সদস্য নুরুল হক নুরের বয়স ৩১ বছর।
প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হলেন দীপেন দেওয়ান। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।