ময়মনসিংহে তিনটি আসনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ কী
ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহসহ তিনটি আসনে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহসহ তিনটি আসনে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের পরাজয়ের জেরে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে উঠেছে।
সংসদ সদস্যদের গেজেট, শপথ সোম বা মঙ্গলবারে
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বিএনপি সর্বশেষ জয় পায় ১৯৯৬ সালে। দীর্ঘ ৩০ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার হলো জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর হাত ধরে।
মাদারীপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট।
প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই তিনি নির্বাচনী এলাকার এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ভোটারদের কাছে ছুটে গেছেন।
চট্টগ্রামে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে নতুন মুখের জয়ই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েই পাঁচজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপির ও একজন জামায়াতে ইসলামীর। ভোটাররা বলছেন, স্থানীয় বাস্তবতা ও সম্ভাবনা বিবেচনা করেই অনেকেই এই প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গণভোটে চারটিতে ‘হ্যাঁ’ এবং একটি আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।
তাঁরা বিশ্বাস করেন, জনগণের যে আস্থা–ভালোবাসা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন।
ঢাকার কোন আসনে কারা জয়ী