বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও সংস্কারমুখী, বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ: বিসিআই
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।
সংগঠনটির আশঙ্কা, রাজস্ব আদায়ে চাপ বাড়লে করদাতারা হয়রানির শিকার হতে পারেন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য আবাসনের জন্য দুটি পৃথক চলমান প্রকল্পে এ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
দেশে অর্থনৈতিক সংস্কার এ বাজেটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের কর বাড়ানো হয়েছে। বন্দুক, শটগান, রাইফেল, পিস্তল ও রিভলবারের নিবন্ধন, লাইসেন্স ইস্যু কিংবা নবায়নের সময় মালিকদের ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম কর দিতে হবে।
প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিডিপি। সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতাকে আড়াল করে বা অতিমূল্যায়ন করে এই ভিত্তি ঠিক করা হয়েছে বলে মনে করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
জনগণের কাছ থেকে সরকার যে কর আদায় করে, তা কীভাবে ও কোথায় ব্যয় হবে, তার মধ্য দিয়ে সরকারের অগ্রাধিকার বোঝা যায়।
সরকারি কিছু কিছু সেবা দিতে সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। কর কর্মকর্তাদের একক ক্ষমতা থাকছে না।
করসংক্রান্ত প্রস্তাবে পাঁচ বছরের আয়কর হার নির্ধারণের মাধ্যমে ‘ট্যাক্স প্রেডিক্টেবিলিটি’ বা করব্যবস্থার পূর্বানুমান যোগ্যতা আনা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
আমাদের দেশটা আয়তনে ছোট, কিন্তু জনসংখ্যা বিপুল। এই দেশের সম্পদও সীমিত। ফলে এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা নানান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
প্রস্তাবিত বাজেট পড়ে প্রথম যে বিষয়টি চোখে পড়ল, তা হলো খণ্ড খণ্ড, তবে এতে যথেষ্ট আন্তরিক কিছু প্রচেষ্টা আছে। লিখেছেন হোসেন জিল্লুর রহমান
বায়তুল মাল ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এর একটি অংশ সব সময় সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় নিবেদিত থাকত। ফলে প্রান্তিক মানুষ কখনো অনাহারে থাকত না।