
‘এখন থেকেই ভোটের পাহারাদারি শুরু করতে হবে’
‘এখন থেকেই ভোটের পাহারাদারি শুরু করতে হবে’

‘এখন থেকেই ভোটের পাহারাদারি শুরু করতে হবে’

নির্বাচনের সরগরম প্রচারণার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।’ আসলে এমন কোনো কথা তিনি বলেননি।

সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অপমান করে কেউ যেন রাজনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে, সেই বার্তাই নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে তাঁরা প্রত্যাশা করছেন।

‘জয়ী হলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে’

‘সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনের জরিপ বলছে, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রধানেরা নিজ নিজ আসনে এগিয়ে আছেন।

১১-দলীয় জোট রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ব্যাপক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান। শুধুই রাজার ছেলে রাজা হওয়ার রাজনীতি পাল্টে দিতে চান তিনি।

শনিবার দুপুরে নিজ জন্মস্থান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌর শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১১–দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।

শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

ভোটের মাঠে প্রচারের সঙ্গে অপপ্রচারও বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উন্মুক্ত মঞ্চে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘কেউ যদি পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। ভয় দেখিয়ে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার দিন শেষ।’