
৯৯৯–এ কল করে যদি ৫ মিনিট ধরে...
৯৯৯–এ কল করে যদি ৫ মিনিট ধরে আমাদের বোঝাতে হয়, আমি কোন গলির কোন পানির ট্যাংকের নিচে, তাহলে তো সেটা আর ইমার্জেন্সি কল থাকল না।

৯৯৯–এ কল করে যদি ৫ মিনিট ধরে আমাদের বোঝাতে হয়, আমি কোন গলির কোন পানির ট্যাংকের নিচে, তাহলে তো সেটা আর ইমার্জেন্সি কল থাকল না।

ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের কারণে নির্বাচনসংক্রান্ত বিধিমালা ও এর প্রয়োগের কৌশলগুলোকে নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করতে হবে এবং প্রয়োজনে হালনাগাদ করতে হবে।

কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সংস্কার থেকে পিছিয়ে গেলে চব্বিশের মতো আরেক অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি শুরু হবে বলে সতর্ক করেছেন। রাজধানীর এক নাগরিক সংলাপে তিনি বিচার বিভাগ ও মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন। অন্যান্য বক্তা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন।

সুইডেনে মানুষ জানে, সে কর দেয়, কিন্তু তার বিনিময়ে রাষ্ট্র তার পাশে থাকে। অসুস্থ হলে চিকিৎসা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয় না। চাকরি হারালেও জীবন ভেঙে পড়ে না। সন্তান জন্ম নিলে মা ও বাবা দুজনেই সময় পায়, সম্মান পায়। এখানে রাষ্ট্র শাসক নয়, সেবাদানকারী।

বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো প্রায় সব ফৌজদারি মামলা রাষ্ট্রের নামে পরিচালিত হয়। আদালতের কার্যতালিকায় আমরা দেখি ‘রাষ্ট্র বনাম অমুক’।

আর্থিক স্বাধীনতা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে। এই চিন্তায় ভ্রান্তি থাকতে পারে। কিন্তু বিচার বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দকে রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশলগত বিনিয়োগ(স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্ট) বিবেচনা করা হয়, এটি অভ্রান্ত সত্য।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যখন নতুন পে স্কেল, ভাতা ও নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে রাষ্ট্র এতটা সচেতন, তখন দেশের বিশাল বেসরকারি চাকরিজীবী জনগোষ্ঠীর জন্য কী করা হচ্ছে?

কেন আছে এই স্তরান্তরের সুযোগ? কারণ, চাহিদা-জোগানের সমন্বয় করতে না পারা রাষ্ট্র এদের জন্য ব্যবসার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।

বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যর্থ এবং মাত্র তিন মাসেই অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

পুতিন রাষ্ট্র ও সমাজকে এমন এক যুদ্ধের ময়দানে এনে দাঁড় করিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে রাশিয়ার শক্তি, সম্পদ ও তরুণদের জীবন ক্ষয় করছে।

কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।